
হার্ট অ্যাটাক (মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন) সাধারণত ধমনীতে ব্লকেজ বা রক্ত প্রবাহের সমস্যার ওপর ভিত্তি করে কয়েক ভাগে বিভক্ত। প্রধান ধরনগুলোর মধ্যে STEMI (সম্পূর্ণ ব্লক) এবং NSTEMI (আংশিক ব্লক) অন্যতম [৯, ১৩]। এছাড়া সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক (উপসর্গহীন), টাইপ ১ ও ২, এবং করোনারি আর্টারি স্প্যাজম-ও উল্লেখযোগ্য [১, ৫, ১২]।
হার্ট অ্যাটাকের প্রকারভেদগুলো নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
- STEMI (ST-segment elevation myocardial infarction): এটি হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে মারাত্মক ধরণ। এতে হৃদপিণ্ডের একটি প্রধান ধমনী সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায় [৯]।
- NSTEMI (Non-ST-segment elevation myocardial infarction): এতে ধমনী আংশিকভাবে বন্ধ হয়, তাই রক্ত প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয় না। এটি STEMI-এর চেয়ে কম মারাত্মক হলেও হৃদপিণ্ডের ক্ষতি করে [৯, ১৩]।
- সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক (Silent Heart Attack): এই ধরনের হার্ট অ্যাটাকে কোনো স্পষ্ট উপসর্গ (যেমন- বুকে তীব্র ব্যথা) থাকে না, বা উপসর্গ খুব মৃদু হয়, যা অনেকে খেয়াল করেন না [১, ৭]।
- টাইপ ১ (Type 1): ধমনীতে চর্বি বা প্লাক জমার কারণে তা ফেটে রক্ত জমাট বাঁধলে এই অ্যাটাক হয় [১২]।
- টাইপ ২ (Type 2): হৃদপিণ্ডের পেশিতে অক্সিজেনের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হলে (রক্ত জমাট না বেঁধে) এই অ্যাটাক হয়, যা উচ্চ রক্তচাপের কারণে হতে পারে [১১, ১২]।
- করোনারি আর্টারি স্প্যাজম (Coronary Artery Spasm): হৃদপিণ্ডের ধমনী হঠাৎ সংকুচিত বা শক্ত হয়ে গেলে রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়, যা সাময়িক বা স্থায়ী হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে [৫]।
হার্ট অ্যাটাকের সাধারণ লক্ষণ:
বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি, বাম হাতে/কাঁধে/চোয়ালে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, এবং বমি ভাব [৬]। লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।